
বিশেষ প্রতিবেদন: বাইরে থেকে কঠিন, শক্ত ও অবিচল দেখালেও ভেতরে ভেতরে একজন পুরুষের মন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পারে—যার খোঁজ সমাজ প্রায়ই রাখে না। দিনের পর দিন রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-কাদা উপেক্ষা করে তিল তিল করে একটি সুন্দর স্বপ্নের ঘর গড়ার জন্য সংগ্রাম করে চলেন একজন পুরুষ। অথচ সেই অক্লান্ত পরিশ্রমের পর দিনশেষে শান্তি কিংবা প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে একটু ভালোবাসা পাওয়ার প্রত্যাশা অনেক সময় অপূর্ণই থেকে যায়।
“পুরুষ মানেই তাকে শক্ত হতে হবে”—সমাজের এই অঘোষিত নিয়মের বেড়াজালে বন্দি হয়ে হাজারো পুরুষ তাদের আবেগ, অভিমান ও চোখের জল আড়াল করতে বাধ্য হন। ভালোবাসার মানুষটিকে না পাওয়ার যন্ত্রণা, অবহেলা, একাকিত্ব আর মানসিক চাপ বুকে চেপে রেখেই তাদের হাসিমুখে পথ চলতে হয়। ভেতরের চাপা কষ্টগুলো কেউ কখনো জানতে চায় না, বুঝতেও চায় না।
বাস্তব জীবনের এই নির্মম রূপ ও পুরুষদের নীরব সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন সংবাদকর্মী মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন। নিজের জীবনবোধ ও অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি জানান, পুরুষদের এই অদেখা কষ্ট ও অবহেলিত জীবন তিনি কাছ থেকে দেখেছেন।
তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। নিজের বুকেও অনেক না-বলা কথা ও চাপা কষ্ট জমিয়ে রেখেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, অসহায় মানুষের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারা এবং বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারাই জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন মনে করেন, মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াই একজন ভেঙে পড়া মানুষকে পুনরায় বেঁচে থাকার নতুন শক্তি জোগায়। সব কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা, মা-বাবার দোয়া এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই আমার পথচলার মূল ভরসা। জীবন যত কঠিনই হোক না কেন, আমৃত্যু মানুষের সেবায় পাশে থেকে পথ চলতে চাই।”
Leave a Reply