
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী জহিরুল ইসলামের পেটে ও হাতে ছুরিকাঘাত এবং গোপনাঙ্গ কেটে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী সাবিকুনাহার মীমের (২৮) বিরুদ্ধে। বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সানারপাড় এলাকার শাহ আলম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রী সাবিকুনাহার মীমকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় বোন মোছা. শাহনাজ বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর ধরে জহিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাবিকুনাহার মীমের মধ্যে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে দ্বন্দ চলছিল। পারিবারিকভাবে একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সন্ধ্যায় বাসার ভেতর তাদের মধ্যে পুনরায় কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মীম ধারালো ছুরি দিয়ে জহিরুলের পেটের ডান পাশে ও ডান হাতের তালুতে আঘাত করেন। পরে জহিরুলের পরনের লুঙ্গি খুলে গোপনাঙ্গের গোড়ায় আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। এ সময় জহিরুল চিৎকার শুরু করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেন মীম।
পরবর্তীতে মারাত্মক আহত অবস্থায় জহিরুল বাসা থেকে বের হয়ে পথচারীদের সহায়তায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে মোহাম্মদপুরের আল-মানার হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, “ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত সাবিকুনাহার মীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বোনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
Leave a Reply